https://public-voice24.com/wp-content/uploads/2022/03/favicon.ico-300x300.png
ঢাকাশনিবার , ৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ

নবীনদে পরিচয়পর্ব নিয়ে কুবিতে দু’গ্রুপের সংঘর্ষঃ আহত ১০

পাবলিক ভয়েস
মার্চ ৩, ২০২২ ১২:১৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) নতুন ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সামনে পরিচয়পর্বকে কেন্দ্র করে হল ও মেস গ্রুপের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয় গ্রুপের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।

বুধবার (২ মার্চ) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থীদের দুই গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বুধবার দুপুর ১২টায় হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের একটি দল ২০২১-২২ বর্ষের শিক্ষার্থীদের সামনে নিজেদের উপস্থাপনের জন্য যায়। এ সময় মেসের শিক্ষার্থীরা হলের শিক্ষার্থীদের ক্লাসরুম থেকে বের হতে বলে এবং তাদের রেখে কেন পরিচয়পর্বে গেলো এ নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। জুনিয়রদের সামনে মেসের শিক্ষার্থীদেরকে অপমান করা হয়। এক পর্যায়ে বিভাগের সিনিয়রদের দ্বারস্থ হলে বিষয়টি সন্ধ্যার মধ্যে সমাধানের আশ্বাস দিলে উভয়পক্ষ তা মেনে নেয়।

রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিষয়টি সমাধানের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চের সামনে মার্কেটিং বিভাগের ১৪তম ব্যাচের ছাত্রী হিয়া সানজানা তার বান্ধবী লামিয়াকে দিয়ে একই ব্যাচের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের আবাসিক ছাত্র পাবেল রানাকে ডেকে আনেন। সে সময়ও উভয়ের পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়।

এ নিয়ে আবারও হল ও মেসের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে মেসের রাজন, শাফায়াত, উৎচসহ ছয়জন এবং হলের পাবেল, সুমন, দ্বীন ইসলাম ও শরীফ গুরুতর আহত হন।

এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের শিক্ষার্থী পাভেল রানা বলেন, ১৫তম ব্যাচের সঙ্গে পরিচিত হওয়াকে কেন্দ্র করে আমাদের মধ্যে দুপুরের দিকে কথা কাটাকাটি হয়। পরে বিষয়টি সিনিয়ররা সমাধান করে দিবে বলে। কিন্তু সন্ধ্যায় আমাদের ক্লাসের বান্ধবী লামিয়া কথা বলার জন্য মুক্তমঞ্চে আসতে বলে। সেখানে গেলে তুষার ও রাজনসহ কয়েকজন আমাদের ধরে মারধর করে। পরে আমরা পালিয়ে হলে চলে আসি। এ সময় তারা আমাদের চারজনকে মারধর করেন।

মেসের শিক্ষার্থী শাফায়েত রহমান বলেন, ব্যাচের ছোট একটা ইস্যু নিয়ে হলের বন্ধুরা আমাদের কে মারধর করেছে। প্রথমে তারা পাঁচজন এসে কথা বলার এক পর্যায়ে আমাদেরকে মারতে আসলে আমরা নিজেদের রক্ষা করতে গেলে হাতাহাতি হয়। এক পর্যায়ে আমরা দৌড়ে পালিয়ে আসার সময় তারা ৩০ জন মিলে আমাদের ফের মারধর করে। এতে আমাদের প্রায় পাঁচ থেকে ছয়জন শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হন। আমরা এর একটি সুষ্ঠু বিচার চাই।

এ বিষয়ে জানতে সানজানা হিয়ার মোবাইল নম্বরে কল দিলে তিনি বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে কিছু বলতে চাই না।’

এ বিষয়ে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ইলিয়াস হোসেন সবুজ জাগো নিউজকে বলেন, হলের কিছু ছেলের সঙ্গে বাইরের ছেলেদের হাতাহাতি শুনে ছাত্রলীগের সিনিয়র নেতাকর্মীরা গিয়ে বিষয়টি সমাধান করেছে। এরপরও যদি কেউ অভিযোগ করলে ছাত্রলীগ সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নিবে।

ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. কাজী মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন জাগো নিউজকে বলেন, মুক্তমঞ্চে ছেলেদের হাতাহাতির খবর শুনে সঙ্গে সঙ্গে প্রক্টরিয়াল টিম সেখানে গিয়ে কাউকে পায়নি। এছাড়া কোনো পক্ষ আমাদের কাছে অভিযোগ করেনি। এরপরও আমরা এ ব্যাপারে খোঁজ নিচ্ছি।