https://public-voice24.com/wp-content/uploads/2022/03/favicon.ico-300x300.png
ঢাকাবুধবার , ২৯শে মার্চ, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ

বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীনদের ‘ম্যানার’ শেখাতে গিয়ে ২ গ্রুপ সিনিয়রদের মধ্যে মারপিট

পাবলিক ভয়েস
মার্চ ৩, ২০২২ ৭:২৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নবীনদের ‘ম্যানার’ শেখানোকে কেন্দ্র করে নিজেদের মধ্যেই মারপিটে জড়িয়েছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল সিনিয়র। তারা সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। বুধবার (২ মার্চ) রাত ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, মার্কেটিং বিভাগে সদ্য ভর্তি হওয়া ২০২০-২১ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ক্লাস শেষে ‘ম্যানার’ শেখানোর নাম করে একই বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের কিছু শিক্ষার্থী শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করেন। প্রবেশ করা সবাই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে থাকেন এবং ছাত্রলীগের কর্মী। এ সময় একই ব্যাচের মেসে থাকা কয়েকজন এসে সেখানে প্রবেশ করেন। তাদের ছাড়া জুনিয়রদের কাছে যাওয়ার বিষয়ে প্রতিবাদ করেন। এই নিয়ে হল ও মেসে থাকাদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়।

এ ঘটনার সূত্র ধরে, সন্ধ্যায় এক সহপাঠীর ফোন কলে মার্কেটিং বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের দ্বীন ইসলাম, রাসেল, সুমন, পাভেল ও শরীফ মুক্তমঞ্চে যায়। তখন তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে পাভেলকে একই বিভাগের মেসে থাকা সহপাঠী রেজোয়ান, সাফায়েত, তুষারসহ আরও কয়েকজন মারধর করেন।

পাভেল দাবি করেন, ‘আমাকে আমার এক সহপাঠী কল দেওয়া আমি ও আমার হলের কয়েকজন বন্ধু মিলে সেখানে যাই। যাওয়ার পর দেখতে পাই, সেখানে আমাদের ক্লাসের আরও কয়েকজন বন্ধু উপস্থিত। এরপর বুঝতে পারি, তারা প্রস্তুতি নিয়ে এসেছে। একপর্যায়ে তারা আমার ওপর হামলা করে।’

পাভেলকে মারধরের কিছুক্ষণ পর বঙ্গবন্ধু হলের বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী একজোট হয়ে মেসে থাকা সহপাঠীদের মারধর করে।

বঙ্গবন্ধু হলের কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, হঠাৎ পাভেলের সহপাঠী শরীফ দৌড়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে এসে চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করেন। এমতাবস্থায় হলে অবস্থান করা শিক্ষার্থীরা বের হতে চান। তখন হলে অবস্থানরত কুবি শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইসলাম মাজেদ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন। পরে বঙ্গবন্ধু হলের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন।

রেজাউল ইসলাম মাজেদ বলেন, ‘এ বিষয়টি একটি বিভাগের নির্দিষ্ট একটি ব্যাচের সমস্যা। ছাত্রলীগের কোনও ঘটনা নয়। তবে উত্তপ্ত পরিস্থিতি দেখে আমি তৎক্ষণাৎ সবাইকে ঘটনা স্থলে যেতে বাধা দেই এবং ওদের সিনিয়রদের বিষয়টি বোঝায়।’

কুবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ইলিয়াস হোসেন সবুজ বলেন, ‘এটি একটি তুচ্ছ ঘটনা। আমি পরে ঘটনাস্থলে এসে সবকিছু জেনে দুই পক্ষকে মিলিয়ে দিয়েছি।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন বলেন, ‘আমি ছাত্র প্রতিনিধি ও প্রক্টরিয়াল টিমকে পাঠিয়েছিলাম। তারা সেখানে যাওয়ার পর কাউকে পায়নি। এ বিষয়ে আমরা বসে সিদ্ধান্ত নেবো।’