https://public-voice24.com/wp-content/uploads/2022/03/favicon.ico-300x300.png
ঢাকাশনিবার , ৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ

নিউজিল্যান্ডের সাফল্য তাসকিনকে আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছে

পাবলিক ভয়েস
মার্চ ১০, ২০২২ ৬:৪৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

আগের দিন তামিম ইকবাল জানিয়ে গেছেন, জেতার বিশ্বাস নিয়েই তারা দক্ষিণ আফ্রিকা যাবেন। বৃহস্পতিবার তাসকিন আহমেদও জানালেন, নিউজিল্যান্ড-দুর্গ জয়ের আত্মবিশ্বাস ভালো কিছু করার সাহস জোগাচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকাতেও।

এতদিন কিউই কন্ডিশনে কেবল হাবুডুবুই খেয়েছে তামিম-মুশফিকরা। সর্বশেষ নিউজিল্যান্ড সফরে গিয়ে সেই কঠিন কন্ডিশনে টেস্ট ম্যাচ জিতেছে। একই রকম কঠিন কন্ডিশন দক্ষিণ আফ্রিকাতেও। সেখানে বাংলাদেশের অতীত পরিসংখ্যান খুব অস্বস্তিকর। এখন পর্যন্ত ৯ ওয়ানডে এবং ৬ টেস্টে ফলাফল শূন্য। তাসকিন মনে করেন, দক্ষিণ আফ্রিকায় এবার ভালো করা সম্ভব। সংবাদ মাধ্যমকে এই পেসার বলেছেন, ‘চ্যালেঞ্জিং তো হবেই। নিউজিল্যান্ড সিরিজও চ্যালেঞ্জিং ছিল। কিন্তু সেখানে টেস্ট জয় আমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। ঘরের মাঠে আফগানিস্তানের বিপক্ষে কিছু কঠিন ম্যাচ জিতেছি, এসব আমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য করেছে। আমার বিশ্বাস যদি সেরা খেলাটা খেলতে পারি, তাহলে দক্ষিণ আফ্রিকাতেও জেতা সম্ভব।’

শুক্রবার দক্ষিণ আফ্রিকার উদ্দেশে উড়াল দিচ্ছে বাংলাদেশ দল। তবে টেস্ট ও ওয়ানডে দলের ক্রিকেটাররা একসঙ্গে যেতে পারছেন না। তিনভাগে যাচ্ছে পুরো বহর। যাওয়ার আগে বৃহস্পতিবার মিরপুরে শেষ বারের মতো এসেছিলেন তাসকিন আহমেদ। সেখানে নিজের পারফরম্যান্সও মূল্যায়ন করেছেন। নিজের ভালো কিংবা খারাপ খেলার চেয়েও প্রসেস মেনে খেলাটা জরুরি বলে মনে করছেন, ‘সবসময় প্রক্রিয়ায় মনোযোগটা বেশি থাকে। আমি ভালো খেলি না খারাপ খেলি; তার চেয়ে নিজের প্রক্রিয়াটা ধরে রাখা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ স্বপ্ন অনেক বড়। আমি বিশ্বের সেরা বোলার হতে চাই। এ জন্য সবসময় নিজের ফিটনেস ও বোলিং যদি উন্নতি হয়, সেদিকে মনোযোগ দিচ্ছি। আজকেও (বৃহস্পতিবার) ওয়ার্কলোড সমন্বয় করলাম। যেহেতু টেস্ট খেলি, তাই আমার বোলিং ওয়ার্কলোড ঠিক রাখতে হয়।’

দক্ষিণ আফ্রিকার পেস নির্ভর উইকেটে বোলারদের যেমন সুবিধা আছে, অসুবিধাও কম নয়। সেই চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করে তাসকিন বলেছেন, ‘ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকায় ঠিকঠাক স্পোর্টিং উইকেট পাওয়া যায়। এসব জায়গায় বোলার, ব্যাটার দুজনেরই ভালো করার সুযোগ থাকে। চ্যালেঞ্জও বেশি। কারণ সমান বাউন্স থাকে, ক্যারিও দারুণ। ভালো জায়গায় বল না করলে রান হওয়ারও সম্ভাবনা থাকে। ওখানে বলের নিয়ন্ত্রণ থাকাটা জরুরি।’

প্রোটিয়াদের বিপক্ষে নিজের লক্ষ্যের কথা জানাতে গিয়ে এই পেসার বলেছেন, ‘প্রত্যেক সিরিজের আগে যা থাকে, এবারও তাই। নিজের শক্তি, দক্ষতার মধ্যে থেকেই সেরাটা দিতে চাই। খুব ইচ্ছা থাকবে যেন ম্যাচ জেতানোর পেছনে আমার অবদান থাকে।’