https://public-voice24.com/wp-content/uploads/2022/03/favicon.ico-300x300.png
ঢাকাবৃহস্পতিবার , ৯ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ

নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে, করণীয় নির্ধারণে পাঁচ মন্ত্রীর বৈঠক

পাবলিক ভয়েস
মার্চ ১৩, ২০২২ ৬:০৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

হঠাৎ করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি, সারাদেশে অসাধু ব্যবসায়ীদের তৎপরতা, নিত্যপণ্যের অবৈধ মজুত, বাজার ব্যবস্থাপনায় ধসসহ নানা কারণে ক্ষুব্ধ সরকার। করণীয় নির্ধারণে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বৈঠকে বসেছেন সরকারের শীর্ষ পাঁচ মন্ত্রী। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিতব্য বৈঠকে সভাপতিত্ব করছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।  বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি এবং বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

রবিবার (১৩ মার্চ) বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের নীতিনির্ধারকদের এ বৈঠক শুরু হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, অর্থ মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, খাদ্য মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয়, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ পুলিশের আইজি বেনজীর আহমেদ, র‌্যাবের মহাপরিচালক, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন।

উল্লেখ্য, গত কিছুদিন ধরেই দেশে ভোজ্যতেল, ডাল, চাল, আটা, চিনি, পেঁয়াজসহ বিভিন্ন নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণহীন। এতে  সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে।  পর্যাপ্ত মজুত থাকার পরেও অসাধু ব্যবসায়ীদের অনৈতিক মুনাফার আশায় অবৈধ মজুত গড়ে তোলার বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরে এসেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় একের পর এক অভিযানে বেরিয়ে আসছে শত শত লিটার ভোজ্যতেলের বোতল। আসন্ন রমজানকে কেন্দ্র করে বাজার ব্যবস্থাপনাকে অস্থিতিশীল করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে এই চক্র। বিষয়টি সরকারকে ভাবিয়ে তুলেছে। তাই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সংশ্লিষ্ট পাঁচ মন্ত্রী বৈকে বসেছেন।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, প্রচুর মজুত থাকার পরও যারা বাজারে পণ্য সরবরাহে বিঘ্ন সৃষ্টি করে কৃত্রিম সংকটের গুজব ছড়িয়েছে, তাদের কোনওভাবেই ছাড় না দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে সরকারের চারটি গোয়েন্দা সংস্থাকে মাঠে নামিয়ে সেখানকার তথ্য সংগ্রহ করে অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে যাওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়েছে। একইসঙ্গে অবৈধ মজুত করা পণ্য জব্দ করে তা বাজারে ছেড়ে দেওয়ার বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হচ্ছে। এক্ষেত্রে সরকারের বিদ্যমান গুদামজাতকরণ আইন বাস্তবায়ন নিয়েও আলোচনা হচ্ছে বলে জানিয়েছে ওই সূত্র।