https://public-voice24.com/wp-content/uploads/2022/03/favicon.ico-300x300.png
ঢাকামঙ্গলবার , ৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ

যারা ডিএমপির মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় পুরস্কৃত হলেন

পাবলিক ভয়েস
মার্চ ২০, ২০২২ ৭:৩০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ-ডিএমপির আওতাধীন এলাকায় প্রতি মাসে সংঘটিত অপরাধ বিশ্লেষণ ও   নিয়ন্ত্রণে কর্মপন্থা ও কর্মকৌশল সম্পর্কিত নির্দেশনা দেন ডিএমপি কমিশনার। একইসঙ্গে মাঠ পর্যায়ের পুলিশ সদস্য ও কর্মকর্তাদের কর্ম উদ্দীপনা বাড়াতে প্রতিমাসের কার্যক্রম পয়েন্ট আকারে যোগ করে পরবর্তী মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় পুরস্কৃত করে থাকেন কমিশনার।

রবিবার (২০ মার্চ) সকালে রাজারবাগের বাংলাদেশ পুলিশ অডিটোরিয়ামে ফেব্রুয়ারি মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন ডিএমপি কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম।

ফেব্রুয়ারি মাসের অপরাধ পর্যালোচনা সভায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ৮টি ক্রাইম বিভাগের মধ্যে প্রথম হয়েছে তেজগাঁও বিভাগ ও শ্রেষ্ঠ থানা হয়েছে মোহাম্মদপুর থানা। তবে ওয়ারেন্ট নিষ্পত্তি করে প্রথম হয়েছে উত্তরা বিভাগ। ডিএমপির ক্রাইম বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনারদের মধ্যে প্রথম হয়েছেন তেজগাঁও বিভাগের মোহাম্মদপুর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মুজিব আহম্মেদ পাটওয়ারী। পুলিশ পরিদর্শক তদন্তদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হয়েছেন ধানমন্ডি মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সাইফুল ইসলাম, আর পুলিশ পরিদর্শকদের (অপারেশনস) মধ্যে প্রথম হয়েছেন মোহাম্মদপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশনস) তোফাজ্জল হোসেন।

শ্রেষ্ঠ এসআই যৌথভাবে নির্বাচিত হয়েছেন পল্লবী থানার এসআই আনোয়ারুল ইসলাম ও লালবাগ পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মামুন হোসেন। শ্রেষ্ঠ এএসআই যৌথভাবে নির্বাচিত হয়েছেন চকবাজার মডেল থানার এএসআই রুহুল আমিন ও মতিঝিল থানার এএসআই মো. হেলাল উদ্দিন। শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী অফিসার হয়েছেন চকবাজার মডেল থানার এএসআই রুহুল আমিন। অস্ত্র উদ্ধার করে শ্রেষ্ঠ হয়েছেন দারুসসালাম জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মিজানুর রহমান। বিস্ফোরক দ্রব্য উদ্ধার করে প্রথম হয়েছেন পল্লবী থানার এসআই জহির উদ্দীন আহমেদ। মাদক উদ্ধার করে শ্রেষ্ঠ হয়েছেন পল্টন মডেল থানার এসআই  সুজন কুমার তালুকদার এবং চোরাই গাড়ি উদ্ধার করে প্রথম হয়েছেন মোহাম্মদপুর থানার এসআই মো. শরিফুল ইসলাম।

৯টি গোয়েন্দা বিভাগের মধ্যে প্রথম হয়েছে গোয়েন্দা লালবাগ বিভাগ। শ্রেষ্ঠ টিম লিডার নির্বাচিত হয়েছেন একই বিভাগের সংঘবদ্ধ অপরাধ ও গাড়ি চুরি প্রতিরোধ টিমের সহকারী পুলিশ কমিশনার মধুসূদন দাস। অস্ত্র উদ্ধারে শ্রেষ্ঠ টিম লিডার নির্বাচিত হয়েছেন গোয়েন্দা মতিঝিল বিভাগের খিলগাঁও জোনাল টিমের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. শাহিদুর রহমান। মাদকদ্রব্য উদ্ধার করে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন গোয়েন্দা লালবাগ বিভাগের সংঘবদ্ধ অপরাধ ও গাড়ি চুরি প্রতিরোধ টিমের সহকারী পুলিশ কমিশনার মধুসূদন দাস, তিনি চোরাই গাড়ি উদ্ধার করেও শ্রেষ্ঠ টিম লিডার নির্বাচিত হয়েছেন।

৮টি ট্রাফিক বিভাগের মধ্যে প্রথম হয়েছে ট্রাফিক লালবাগ বিভাগ। শ্রেষ্ঠ সহকারী পুলিশ কমিশনার নির্বাচিত হয়েছেন রমনা ট্রাফিক জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. রেফাতুল ইসলাম। শ্রেষ্ঠ ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) হয়েছেন একই জোনের টিআই সরদার মোহাম্মদ তরিকুল আলম। শ্রেষ্ঠ সার্জেন্ট/টিএসআই যৌথভাবে নির্বাচিত হয়েছেন রমনা ট্রাফিক জোনের পুলিশ সার্জেন্ট মফিজুর রহমান ও মোহাম্মদপুর ট্রাফিক জোনের পুলিশ সার্জেন্ট মো. ইমরান নাজির।

এছাড়াও ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগসহ ১৫টি বিভাগ ও ১০২ জন অফিসার এবং ফোর্সকে বিশেষ পুরস্কার প্রদান করা হয়।