https://public-voice24.com/wp-content/uploads/2022/03/favicon.ico-300x300.png
ঢাকাশুক্রবার , ৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ

১২ বছর পর ফিরোজ হত্যার আট আসামির যাবজ্জীবন

পাবলিক ভয়েস
মার্চ ২৪, ২০২২ ৫:৪৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

কুষ্টিয়ায় অপহরণের পর ফিরোজ আহমেদ কাজল (২২) নামে এক মাদ্রাসাছাত্রকে হত্যার দায়ে আট জনের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ মার্চ) দুপুরে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মো. তাজুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার ধুবইল ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামের মোয়াজ্জেম হোসেনের ছেলে মাসুদ, একই গ্রামের শের আলীর ছেলে সিদ্দিক, একই উপজেলার বরিয়া গ্রামের নুর ইসলাম মোল্লার ছেলে মাসুম মোল্লা, মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার হাড়াভাঙ্গা গ্রামের আজগর আলীর ছেলে গিয়াস, একই গ্রামের মৃত শের আলী মোল্লার ছেলে মেসকাত আলী মোল্লা, কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার সালিমপুর গ্রামের নূর মোহাম্মদ বিশ্বাসের ছেলে সোহেল, একই গ্রামের কালাম হোসেনের ছেলে ওয়াসিম রেজা ও কুষ্টিয়া সদর উপজেলার চৌড়হাস উপজেলার রোডের মৃত লালন শেখের ছেলে জাকির হোসেন।

তিন আসামিকে মামলা থেকে খালাস দেওয়া হয়েছে। খালাসপ্রাপ্তরা হলেন- কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার বরিয়া গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে রবিউল ইসলাম ববি, একই গ্রামের মৃত আব্দুল খালেক মোল্লার ছেলে নুরুল ইসলাম ও দৌলতপুর উপজেলার কাজিপুর গ্রামের ফজলুল হকের ছেলে এনামুল হক ইনু।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০০৯ সালের ১২ জুলাই কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার বরিয়া গ্রামের দেলবার হোসেনের ছেলে সুলতানপুর সিদ্দিকিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ফিরোজ আহমেদ কাজলকে আসামিরা অপহরণের পর হত্যা করেন। এ ঘটনায় মিরপুর থানায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে মামলা করেন।

মামলার তদন্ত শেষে ২০১৩ সালের ১ এপ্রিল আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশ। সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণা করেন আদালত।

কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) অনুপ কুমার নন্দী বলেন, ফিরোজ হত্যা মামলায় দোষী প্রমাণিত হওয়ায় আট আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে প্রত্যেককে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার পরপরই দণ্ডপ্রাপ্তদের পুলিশ পাহারায় জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।