https://public-voice24.com/wp-content/uploads/2022/03/favicon.ico-300x300.png
ঢাকাবৃহস্পতিবার , ২রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ

সুনামগঞ্জে ৫ জনের যাবজ্জীবন

পাবলিক ভয়েস
মার্চ ২৯, ২০২২ ৪:১৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

সুনামগঞ্জে অপহরণ ও ধর্ষণের অপরাধে পাঁচটি পৃথক মামলায় পাঁচ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ মার্চ) দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক বিচারক মো. জাকির হোসেন এই রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলো-সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামের রিপন মিয়া, ধর্মপাশা উপজেলার ফাতেমানগর গ্রামের রুকন মিয়া, জগন্নাথপুর উপজেলার ইসহাকপুর গ্রামের শাহিন মিয়া, সদর উপজেলার ইছাগরি গ্রামের শৈলেন দাস ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার মিয়ারচর গ্রামের আসাদ মিয়া।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, রিপন মিয়া ভুক্তভোগী নারীকে ধর্ষণ করে। ডিএনএ পরীক্ষায় বিষয়টি প্রমাণিত হয়। এই মামলায় সাত জনের স্বাক্ষ্য-প্রমাণ ও অন্যান্য প্রমাণের ভিত্তিতে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত।

সাজাপ্রাপ্ত রুকন মিয়া ধর্মপাশা উপজেলার একটি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণ করে। পুলিশের অভিযোগপত্র ও ৯ জনের স্বাক্ষ্য-প্রমাণে ধর্ষণের বিষয়টি প্রমাণ হয়। অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে রুকনকে যাবজ্জীবন ও মামলার ২ নম্বর আসামি আব্দুল লতিফকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড ও জরিমানা করে।

আসামি শাহিন মিয়া জগন্নাথপুর উপজেলার প্রত্যন্ত পল্লীর পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে স্কুলে যাওয়ার পথে অপহরণ ও ধর্ষণ করে। পুলিশের অভিযোগপত্র ও স্বাক্ষ্য-প্রমাণে বিষয়টি প্রমাণ হওয়ায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও জরিমানা করেছে আদালত।

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার শৈলেন দাস এলাকার নবম শ্রেণির ছাত্রীর প্রাইভেট শিক্ষক ছিল। পড়ানোর সুবাদে ওই ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। একপর্যায়ে তাকে ধর্ষণ করে। বিষয়টি প্রমাণ হওয়ায় শৈলেন দাসকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার দশম শ্রেণির ছাত্রীকে স্কুলে যাওয়ার পথে অপহরণ করে ধর্ষণ ও বিয়ে করে আসাদ মিয়া। এই অপরাধে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। এই মামলা থেকে তার বাবা ইদন মিয়া এবং মা জগত বানুকে আদালত খালাস দিয়েছে।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের কৌঁসুলি নান্টু রায় বলেন, একসঙ্গে পাঁচটি অপহরণ ও ধর্ষণ  মামলার বিচারকার্য সম্পাদন করে এক অন্যন্য নজির স্থাপন করেছে। আদালতের এ ধরনের রায়ে সাধারণ মানুষ আস্থাশীল। জেলার নারী নির্যাতন রোধে এই রায় মাইলফলক হয়ে থাকবে।