https://public-voice24.com/wp-content/uploads/2022/03/favicon.ico-300x300.png
ঢাকাবৃহস্পতিবার , ৯ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ

হিলিতেঃ ১‌ বছর পর শুকনো মরিচ-মসুর ডাল ও ছোলা আমদানি

পাবলিক ভয়েস
মার্চ ৩১, ২০২২ ২:২৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

দেশের বাজারে ভালো চাহিদা থাকায় দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে এক বছর পর ভারত থেকে শুকনো মরিচ, মসুর ডাল ও ছোলা আমদানি শুরু হয়েছে। এসব পণ্য আমদানির ফলে বন্দরের আয় বেড়েছে।

হিলি স্থলবন্দর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এক বছর আগে এই বন্দর দিয়ে ভারত থেকে শুকনো মরিচ আমদানি হয়েছিল। এরপর দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ ছিল। গত ১৬ মার্চ থেকে আবারও আমদানি শুরু হয়েছে। একইভাবে ২১, ২৭ ও ২৮ বন্দর দিয়ে মোট আটটি ট্রাকে ১৬৪ টন শুকনো মরিচ আমদানি হয়েছে। প্রতি কেজি মরিচ পাইকারি বাজারে বিক্রি হচ্ছে ২৫০ টাকা কেজি দরে।

এদিকে বন্দর দিয়ে গত ২৮ মার্চ দুটি ট্রাকে ৬০ টন ছোলা আমদানি করা হয়েছে। রাজশাহীর মেসার্স বিসমিল্লাহ ডাল মিল নামের এক আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এগুলো আমদানি করে। আমদানি করে ভারতের পান্নালাল ইন্টারন্যাশনাল নামের রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান। প্রতিটন বুট ৭৮৫ মার্কিন ডলার মূল্যে আমদানি করা হয়, যা কাস্টমসে এক হাজার ১৫০ মার্কিন ডলার মূল্যে শুল্কায়ন করেছে।

একই প্রতিষ্ঠান ২৯ মার্চ তিনটি ট্রাকে ১০৮ টন, ৩০ মার্চ তিনটি ট্রাকে ১০২ টন মসুর ডাল আমদানি করেছে। পাশাপাশি আরও দুই জন আমদানিকারকের মসুর ডাল এসেছে। প্রতিটন মসুর ডাল ৯৫০ মার্কিন ডলার মূলে আমদানি করা হয়েছে। আর শুল্কায়ন করা হচ্ছে এক হাজার ৭০ মার্কিন ডলার মূল্যে। তবে ছোলা ও মসুর ডাল শুল্কমুক্ত পণ্য হিসেবে আমদানি হচ্ছে।

হিলি স্থলবন্দরের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট রাশেদ ফেরদৌস বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, সামনে যেহেতু রমজান তাই দেশের বাজারে ছোলার চাহিদা বেশি। চাহিদাকে ঘিরে দীর্ঘ এক বছর পর আবারও হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ছোলা আমদানি করা হয়েছে। পাশাপাশি দেশের বাজারে মসুর ডালের দাম বাড়তি থাকায় সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আমদানি শুরু করা হয়েছে।

বন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বলেন, বন্দর দিয়ে ভারত থেকে অন্যান্য পণ্যের পাশাপাশি বেশকিছু নতুন পণ্য আমদানি শুরু হয়েছে। এর মধ্যে ছোলা, মসুর ডাল ও শুকনো মরিচ রয়েছে। এতে বন্দর কর্তৃপক্ষের আয় বেড়েছে।